লিঙ্গ কত প্রকার?
লিঙ্গ কত প্রকার?
-
ক
দুই
-
খ
তিন
-
গ
চার
-
ঘ
পাঁচ
8. শব্দ ও পদ
৪.১ লিঙ্গান্তরের নিয়ম ও উদাহরণ
৪.২ বহুবচন গঠনের নিয়ম ও উদাহরণ
8.0 বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ : সংজ্ঞাবাচক, শ্রেণিবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও ক্রিয়াবাচক
৪.৪ নির্দেশক সর্বনামের রূপ (চলিত রীতি) : ‘এ’, ‘ও’
8.0 ধাতু ও ক্রিয়াপদ
৪.৬ সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া
৪.৭ মৌলিক ও সাধিত ধাতু
৪.৮ ক্রিয়ার কাল : বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ ও অনুজ্ঞা
৪.১ কৰ্ম-অনুশীলন
৪. শব্দ ও পদ
অর্থ হলো শব্দের প্রাণ। এক বা একাধিক ধ্বনির সম্মিলনে যদি কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় তবে তাকে শব্দ বলে। যেমন : ক, ল, ম এই তিনটি ধ্বনি একসাথে জুড়ে দিলে হয় : কলম (ক+ল+ম)। ‘কলম' লেখার - একটি উপকরণকে বোঝায়। সুতরাং এটি একটি শব্দ। এ রকম : আমি, বাজার, যাই ইত্যাদিও শব্দ। এগুলোর আলাদা আলাদা অর্থ আছে। কিন্তু এ রকম আলাদা আলাদা শব্দ মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারে না। তাই অর্থপূর্ণ শব্দ জুড়ে জুড়ে মানুষ তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে থাকে। যেমন : ‘আমি বাজারে যাই। ’- এটি একটি বাক্য। এখানে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পেয়েছে। কতগুলো অর্থপূর্ণ শব্দ যখন একত্রিত হয়ে বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে।
এবার লক্ষ করি : আমি, বাজার, যাই – তিনটি অর্থপূর্ণ শব্দ।
আমি বাজারে যাই – একটি মনের ভাব প্রকাশক বাক্য।
এখানে ‘বাজার' শব্দটি বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার সময় কিছুটা (বাজার+এ) বদলে গেছে। বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার সময় শব্দের শেষে এই ধরনের কিছু বর্ণ যোগ হয়। এগুলোকে বলে বিভক্তি। শব্দে বিভক্তি যুক্ত হলেই তাকে পদ বলা হয়। তাহলে বলা যায় বিভক্তি যুক্ত শব্দকে অথবা বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দকে পদ বলে। পদ পাঁচ প্রকার : ১. বিশেষ্য ২. বিশেষণ ৩. সর্বনাম ৪. অব্যয় ও ৫. ক্রিয়া।
Related Question
View All-
ক
সাধারণ বর্তমান
-
খ
সাধারণ অতীত
-
গ
সাধারণ ভবিষ্যৎ
-
ঘ
ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা
-
ক
আমি হব সকাল বেলার পাখি
-
খ
আমার ছোট ভাই লিখছে
-
গ
রিতা ঘুমাচ্ছিল
-
ঘ
বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন
-
ক
সাধারণ ভবিষ্যৎ
-
খ
ঘটমান ভবিষ্যৎ
-
গ
পুরাঘটিত ভবিয্যৎ
-
ঘ
ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা
-
ক
নিত্যবৃত্ত বর্তমান
-
খ
বর্তমান অনুজ্ঞা
-
গ
ঘটমান বর্তমান
-
ঘ
পুরাঘটিত বর্তমান
-
ক
- উক
-
খ
- উন
-
গ
- এন
-
ঘ
- শূন্য
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!